কিফি ঘূর্ণিতে বেসামাল ভারত!

অভিষেক হয়েছিলো ২০১৪ সালে পাকিস্তান এর বিপক্ষে দুবাইয়ে। তারপর খেলেছিলেন ৮ টি টেস্ট। নিয়েছিলেন মাত্র ১৪ উইকেট। গড় ও ছিলো ৩২ এর উপর। তাই ভারত টেস্ট শুরু হওয়ার আগে যে কেউই বলবে ও কিফি একজন অর্ডিনারি বোলার।
কিন্তু কি হলো?? ২ ইনিংস ১২ উইকেট গড় ২০+ উইকেট সংখ্যা ২৬ খেলেছেন ৯ম্যাচ। নয় ম্যাচে ২৬ উইকেট টেস্ট ক্রিকেটে বেমানান ঠিক। কিন্তু এই ম্যাচের পরে তাকে কেউ অর্ডিনারি বলতে পারবেনা এটুকু সত্যি।

ভারতে উপমহাদেশ এর বাইরের দল আসা মানেই মৃত্যুকূপে খেলা। যার নাম স্পিন কূপ। আর যেখানে রাজত্ব করে অশ্বিন-জাদেজারা। এবারও তাই ভেবে বানানো হয়েছিলো স্পিন কূপ। তবে এবার রাজার পরিবর্তন দেখা দিলো রাজা হয়ে গেলো উপরের স্ট্যাট এর বোলার ও. কিফি। যা ছিলো ভারতীয়দের সিলেবাস এর বাইরে।

ভারতের মাটিতে ১৩ বছর পর জয় তাও ৩৩৩ রানে । নায়ক যেমন কিফি তেমনি অধিনায়ক স্মিথ ও কম যাননা। যেখানে নিজেদের চেনা কন্ডিশনে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরাও দাড়াতে পারলোনা সেখানে করলেন সেঞ্চুরি। আর ফিল্ডারদের কথা না বললে অন্যায় হবে অসাধারণ সব ক্যাচ লুফে নিয়ে ভারতকে ব্যাটফুটে ঠেলে দেয়ার একটা গুরু দ্বায়ীত্ব তারাই পালন করেছে।এদিক দিয়েও ভারত পিছিয়ে গেছে । কাল ও আজ ২দিনে ওরা সেঞ্চুরিয়ান স্মিথ এর ৪ টি ক্যাচ ফেলেছে।যদিও তাতে কেবল ব্যাবধানই কমত। কেননা ভারত দুই ইনিংসে করেছে ১০৫ ও ১০৭ মোট ২১২ আর অজিরা এক ইনিংসেই করেছে ২৬০ । তবে ব্যাবধান কমলেওতো ভালো।

ক্যাচ মিসের কথা উঠলে বাংলাদেশ এর সিরিজের কথা মনে পরে যায় যদি ক্যাচ গুলো ধরতে পারত তবে হয়ত দেশের মাটিতে টানা ১৯ সিরিজ জয়ের আগেই থেমে যেতো ইন্ডিয়ার জয়রথ!

সব শেষে অজিরা অসাধারণ খেলেই জয় পেয়েছে। আর তাদের নেতৃত্ব দিয়েছে ও. কিফি ও স্টিভ স্মিথ। আর অন্য দিকে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তাদের কন্ডিশন কাজে লাগাতে ব্যার্থ। এখন দুইদলই তাদের পরবর্তী ম্যাচ নিয়ে ভাববে।

Leave a Reply