দলের পরাজয়ে হতাশ! তাহলে হয়ে যাক অতীত থেকে একটু সুখের স্মৃতি রোমন্থন!

শুনেছি দুঃসময়ে মানুষ নাকি সু’সময়ের স্মৃতি রোমন্থন করতে ভালোবাসে। বলতে পারেন এ লেখাটা অনেকটা সেরকমই একটা কিছু…!!!

জয় উদযাপনে উৎসুক-সাফল্য পিপাসু-ক্রিকেট পাগল যে বিশেষণই ব্যবহার করেন না কেন, নানা মত-ধর্ম-বর্ণ-জাত’এর বাঙ্গালী জাতি শুধু মাত্র একটা জায়গায় এসেই একমত হয়, একাত্মতা ঘোষণা করে। আর সেটা হলো ক্রিকেট নামক খেলায় বাংলাদেশের টাইগারদের জয়ের উল্লাসে। বাংলাদেশের মানুষ সব কিছু ভুলে কাধে কাধ মিলিয়ে আনন্দ মিছিলে যোগ দেয় এই টাইগারদের জয়ের উদযাপনে। একটা সময় ছিল যখন জয় তো দূরে থাক, সম্মানজনক ব্যাটিং-বোলিও পারফরম্যান্স অথবা লড়াই করে হারার মাঝেই আমার মত ক্রিকেট প্রেমীরা খুজে পেত উল্লাসের উপলক্ষ্য। বছর দু-তিনেক হলো এ দৃশ্যপটে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তবে অতিসম্প্রতি আবারো সেই পুরনো বাংলাদেশের ছায়া নজরে আসার কারনে আমার মত লাখো ক্রিকেটপ্রেমী হতাশায় ভুগছেন। তাই এই লেখাটা লিখছি। যে ইনিংসটার কথা লিখতে যাচ্ছি সেটা ধ্বংস স্তুপ থেকে বাংলাদেশের টাইগারদের ঘুরে দাড়িয়ে ম্যাচ জিতে নেয়ার অন্যতম সেরা উদাহরন হিসেবে গন্য করা যেতে পারে বলেই আমার ব্যক্তিগত মতামত।

আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে সেমিফাইনালের চৌকাঠ পেরিয়েই বাংলাদেশ পেয়ে যায় সোনার হরিণ তথা ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ (এখনো স্পষ্ট মনে আছে সেদিনের বিজয়োল্লাসে ছোট্ট আমিও ছিলাম। সার্বজনীন রং’উৎসবে মাতামাতি করার প্রবল ইচ্ছা ছিল ঠিকই, কিন্তু পকেটে রং কেনার টাকা না থাকায় মায়ের কাপড়ে দেয়ার নীলের কৌটা চুরি করে খালি করে পরে সেজন্য ধোলাইও খেয়েছিলাম)

যাক, এবার আসল কোথায় আসা যাক। ’৯৯ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হওয়ার পর শুরু হয় একটা বিতর্কের। সে সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান কাম কার্যকরী স্লো মিডিয়াম পেস অলরাউন্ডার মিনহাজুল আবেদীন নান্নু’কে দলে জায়গা দেননি নির্বাচকেরা। সাংবাদিকদের লেখা-লেখি, মানববন্ধন, সমর্থকদের মিছিলের পর অনেক জল্পনা-কল্পনা’র পর দলে ঠাই মিলে নান্নুর। তাই বিশ্বকাপে কিছু একটা করে দেখানোর একটা জেদ বা সংকল্প অবশ্যই নান্নুর মাঝে কাজ করে থাকবে। হয়তোবা সেই স্পৃহাই জন্ম দিয়েছিল ছোট কিন্তু পরিস্থিতির বিবেচনায় মহাকাব্যিক ৬৮ রানের সেই ইনিংসের।

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে কারোই খুব উচ্চাশা ছিল সেটা বললে ভুল হবে। শুধু আশা ছিল স্কটল্যান্ডকে হারানো আর অন্যান্য ম্যাচগুলোতে ভালো পারফর্ম করা। আমি লিখতে যাচ্ছি সেই ম্যাচে নান্নুর খেলা সেই বিখ্যাত ইনিংসটা নিয়েই।

২৪ শে মে ১৯৯৯ সাল রোজ সোমবার। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করা বাংলাদেশ সেদিন গ্রুপ “বি”তে নিজেদের(দলীয়) তৃতীয় আর সে বিশ্বকাপের ১৭তম ম্যাচে এডিনবার্গের গ্র্যাঞ্জ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে মুখোমুখি হয় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া আর হিমশীতল বাতাসময় পরিবেশে (পারফেক্ট সিমিং কন্ডিশন বলতে যা বোঝায় আর’কি) টসে জিতে স্কটল্যান্ড ফিল্ডিং নিতে দু’দণ্ড দেরী করেনি।

ব্যাটিং এ নেমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানেরা অনভ্যস্ত কন্ডিশন-পিচের অসামজস্য’পুর্ন বাউন্স আর দুই স্কটিশ ওপেনিং বোলার ব্লেইন-বাটের বোলিং তোপে পড়ে। দুই ওপেনার খালেদ মাসুদ আর মেহরাব হোসেন অপি বেশীক্ষন টিকতে পারেননি। দলীয় ৬ রানেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে টাইগারদের। শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরে যান উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ। এরপরেই মরক লেগে যায় বাংলাদেশের ইনিংসে। মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানেরা যেন আসা-যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েন। আরেক ওপেনার মেহরাব হোসেন অপি (৩ রান), ওয়ান ডাউনে নামা ফারুক আহমেদ (৭ রান), চার এবং পাঁচে নামা যথাক্রমে দলীয় অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল (০ রান) আর আকরাম খান (০ রান) যখন সাজঘরে ফেরেন তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১০ ওভার ৩ বলে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৬ রান। ঘোর আশাবাদী টাইগার সমর্থকও তখন আশাহারা হয়ে পড়েন।

ঠিক এমনই এক ঘোর বিপদের সময় দলের হাল ধরেন সমর্থক-মিডিয়ার চাপে বিশ্বকাপ দলে আসা মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক স্পিনিং অলরাউন্ডার (পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট দলনায়ক) নাইমুর রহমান দুর্জয়। এ জুটি দেখে শুনে খেলে ইনিংস পুনর্গঠনের কাজ চালিয়ে যান। কিন্তু আবারো বিপত্তি বাধে যখন দলীয় রান শতরানের দোরগোড়ায় পৌছে। দলীয় ৯৫ রানে ৬৯ রানের পার্টনারশীপ ভাঙ্গে যখন নাইমুর রহমান আউট হন ৫৮ বলে ৩৬ রান করে (৫ টি চারের সাহায্যে)। ১ রান পরেই আবারো আঘাত হানে স্কটিশ বোলার’রা। খালেদ মাহমুদ সুজন রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। তখন বাংলাদেশ দলের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৯৬ (৩১ তম ওভারের খেলা চলছিল)। সেসময় অধিকাংশ টাইগার সমর্থকের মনে একটাই আশংকা ছিল- বাংলাদেশ কি নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতে পারবে? তবে মিনহাজুল আবেদীনের মনে ছিল অন্য চিন্তা। তিনি অষ্টম উইকেট জুটিতে একটু-আধটু ব্যাটিং জানা এনামুল হক মনিকে নিয়ে আবারো ইনিংস মেরামতের কাজ চালিয়ে যান। ৪১ তম ওভারের পঞ্চম বলে ৩৭ রানের এই পার্টনারশীপ ভাঙ্গে এনামুল হক মনির আউটের মাধ্যমে। মনি করেন ৪০ বলে ১৯ টি মূল্যবান রান। এরপর ব্যাটিং এ নামেন আইসিসি ট্রফির ফাইনালের শেষ বলে নাটকীয় জয়ের নায়ক হাসিবুল হোসাইন শান্ত। তাকে নিয়ে নান্নু করেন ৩১ রানের আরেকটি মূল্যবান পার্টনারশীপ। ৪৭ তম ওভারের শেষ বলে শান্ত যখন ৬ রান করে আউট হন তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৬৪ রান। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংসের শেষ ১৮ বলের জন্য নান্নুকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন বামহাতি মিডিয়াম পেস বোলার মাঞ্জারুল ইসলাম। এই অপরাজিত জুটিতে আসে ১৮ বলে মূল্যবান ২১ টি রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৮৫ রান। বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর ১১৬ বলে ৬ চারের সাহায্যে করা অপরাজিত ৬৮ রানের ইনিংস। স্কটল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে ওপেনিং পেস বোলার ব্লেইন ৩৭ রানে নেন ৪ উইকেট আর বাট-ড্যায়ার নেন দুটি করে উইকেট। তবে, বাংলাদেশী ক্রিকেটের-সমর্থক’রা স্কটিশ বোলারদের ধন্যবাদ জানাতেই পারে ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মিঃ এক্সট্রা ৪৪ রানের জন্য (ওয়াইড ২৮, নো বল ১১ আর লেগ বাই ৫)।

ইনিংস বিরতির সময় স্কটল্যান্ডের জন্য একটা দুঃসংবাদ জানিয়ে দেন ম্যাচ রেফারী নিউজিল্যান্ডের জন রিড। স্লো ওভার রেটের জন্য স্কটল্যান্ডের ১ ওভার কেটে নেয়া হয়েছে। যার ফলে স্কটল্যান্ডের টার্গেট দাঁড়ায় ৪৯ ওভারে ১৮৬ রান।

চেনা কন্ডিশন আর সমর্থকদের সামনে স্কটিশদের জন্য এই টার্গেট খুব কঠিন বলে কেউই ধারণা করেনি। কিন্তু সেই ধারনাকে ভুল প্রমান করতে একদমই সময় নেন’নি বাংলাদেশী বোলাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই দলীয় এবং ব্যাক্তিগত রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার প্যাটারসনকে ফিরিয়ে দেন হাসিবুল হোসাইন। স্কটল্যান্ডের রান যখন ৮ তখন আবারো জোড়া আঘাত হানেন দুই বাংলাদেশী ওপেনিং বোলার মাঞ্জারুল আর হাসিবুল। ফিরিয়ে দেন ফিলিপ আর স্মিথকে। পরের ব্যাটসম্যান স্ট্যাঙ্গনার আর দলনায়ক স্যালমন্ড ইনিংস মেরামতের চেষ্টা চালালেও বেশীদুর আগাতে পারেননি। মাঞ্জারুলের বলে পয়েন্টে ফারুক আহমেদের হাতে ক্যাচ হওয়া স্যালমন্ড যখন ৩১ বলে ৩ চারের সাহায্যে ১৯ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তখন স্কটিশদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৭ রান। এরপর বল হাতে নিয়েই চমক দেখান ব্যাটিং’এ দলের ভিত গড়ে দেয়া টাইগার অল-রাউন্ডার মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। স্ট্যাঙ্গনারকে ব্যাক্তিগত ১০ রানে এলবিডব্লিউ’র ফাদে ফেলেন নান্নু, তখন স্কটিশদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৪৯ রান (১৮ তম ওভার)। এরপর ক্রিজে আসেন স্কটল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যান গ্যাভিন হ্যামিল্টন। ব্রিংকলিকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজে নেমে পড়েন হ্যামিল্টন। ৩৪ রানের পার্টনারশীপ গড়ে খালেদ মাহমুদের বলে ব্রিংকলি আউট হয়ে ফেরেন ব্যাক্তিগত ৫ রানে। এরপরেই গড়ে উঠে স্কটল্যান্ডের ইনিংসের সেরা জুটি। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ড্যাভিসের সাথে হ্যামিল্টন করেন ৫৫ রানের জুটি। এসময় দলের সব বোলারকে উল্টে-পাল্টে ব্যবহার করেও জুটি ভাঙ্গতে পারছিলেন না বাংলাদেশ দলনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ঠিক তখনই ভাগ্যদেবতা টাইগারদের দিকে মুখ তুলে তাকান। মাঞ্জারুল ইসলামের বলে ড্যাভিসের স্ট্রেইট ড্রাইভ মাঞ্জারুল নিজেই ফিল্ডিং করতে গেলে বল তার আঙ্গুলে লেগে নন-স্ট্রাইক এন্ডের স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দেয়। হ্যামিল্টন তখন রান নেয়ার আশায় পপিং ক্রিজের বাইরে ছিলেন। বাংলাদেশ পেয়ে যায় কাংখিত উইকেট (আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে সেই রান আউট আর তারপর টাইগারদের উল্লাসের সেই দৃশ্য)। হ্যামিল্টন আউট হওয়ার আগে ৭১ বলে ৪ চার আর ১ ছক্কায় ৬৩ রানের ঝকঝকে একটা ইনিংস খেলেন। এসময় স্কটিশদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪১ ওভার ৩ বলে ৭ উইকেটে ১৩৮ রান। তখন জয়ের জন্য স্কটল্যান্ডের সামনে সমীকরন দাঁড়ায় ৪৫ বলে ৪৮ রান। কিন্তু ১৫৮ রানের মাথায় ড্যাভিস’ও খালেদ মাহমুদের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে স্কটল্যান্ডের জয়ের আশা ফিকে হয়ে যায়। ড্যাভিস করেন ৬৫ বলে ৩২ রান (৩ চার)। এরপর স্কটিশ টেল-এন্ডার আর দাড়াতেই পারেনি টাইগার বোলারদের সামনে। ফলশ্রুতিতে স্কটল্যান্ড ৪৬ ওভার ২ বলে অলআউট হয় ১৬৩ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন হাসিবুল হোসাইন,মাঞ্জারুল ইসলাম আর খালেদ মাহমুদ। এছাড়াও এনামুল হক মনি আর মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ১ টি করে উইকেট নিয়ে দলের ২২ রানের জয়ে বড় অবদান রাখেন।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন বিশ্বকাপের আগে নির্বাচকদের চোখে অপাংক্তেয় হওয়া মিনহাজুল আবেদীন নান্নু (অপরাজিত ৬৮ রান আর ১২ রানে ১ উইকেট)।

আমার স্পষ্ট মনে আছে, ২০০৪/০৫’এর দিকে প্রথম আলোর “স্টেডিয়াম” নামক সাপ্তাহিক ক্রীড়া আয়োজনে এই ইনিংসটিকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম ইনিংস হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন বেশ কজন কৃতী ক্রীড়া সাংবাদিক। আসলে সময়-পরিবেশ-পরিস্থিতি-চাপ বিবেচনায় এই ইনিংসটিকে আমি অনেকের সেঞ্চুরী থেকেও এগিয়ে রাখবো। তাছাড়া নিজের ক্যারিয়ার-দেশের সম্মান-বিশ্বকাপে দলের প্রথম জয়ের হাতছানি; সব মিলিয়ে সেদিন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু যেন হয়ে উঠেছিলেন সত্যিকারের লড়াকু এক যোদ্ধা।

আশা করি অদুর ভবিষ্যতেই টাইগারদের হয়ে তামিম-মুশফিক-সাকিব-মাহমুদুল্লাহ-সাব্বির’দের যে কেউ এমন একটা ইনিংস উপহার দিয়ে আবার দলকে জয়ের ধারায় ফিরিয়ে এনে আমাদের আবারো উল্লাসে মেতে উঠার সুযোগ করে দেবেন। সেই আশাতেই আল্লাহর রহমত কামনা করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে।

(বিঃ দ্রঃ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাজে ভাবে ওয়ানডে সিরিজ হারার পরেই এই লেখাটা লিখবো বলে ভাবছিলাম। কিন্তু অফিসে কাজের চাপ-সময়ের অভাব-আলস্য সব মিলিয়ে লিখতে কিছুটা দেরী হয়ে গেলো। আমার নিজের অজান্তে তথ্যগত বা অন্য কোন ভুল থেকে থাকলে দয়া করে এই অধমকে ক্ষমা করবেন)

Leave a Reply