পথের দেখা মেলেনি কুমিল্লার, শক্ত অবস্থানে রংপুর

টানা প্রথম চার ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে অনেকটা ছিটকে পড়েছিলো চ্যাম্পিয়নরা। তবুও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের একমাত্র ভরসা ছিল মাশরাফি। বারবার হোঁচট খেয়ে কিভাবে ঘুরে দাড়াতে হয় সেটা ভালোভাবেই জানা তার। আর তার হাতেই যখন কুমিল্লার দায়ভার তখন ঘুরে দাড়ানোর আশা সবাই করতে পারেন। কিন্তু সেই আশায় গুড়োবালি দিলো ফর্মের তুঙ্গে থাকা রংপুর রাইডার্স।

আজ (শুক্রবার) টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে রংপুরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল কুমিল্লা। টস হার দিয়ে শুরু হয় তাদের মিশন। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেই ভালো করতে পারেনি কুমিল্লা। শুরুতেই ইমরুল কে হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি কুমিল্লা।

বরং পাওয়ার প্লে তে ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান সংগ্রহ করে চাপটা বাড়িয়ে নেয়। তবুও উইকেটে থিতু হয়ে দাড়ায় আহমেদ শেহজাদ ও মারলন স্যামুয়েলস। জুটি গড়ে ঠিকই কিন্তু তারা যেন ভুলে যায় এটা টি-২০ গেম টেস্ট নয়। ধীর গতিতে দুই জনই অর্ধশতক করেন ঠিকই কিন্তু দলকে ভালো সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি। তাই ২০ ওভারে কুমিল্লার সংগ্রহ দাড়ায় মাত্র ১২২ রান ৫ উইকেটের বিনিময়ে। যা ডিফেন্ড করা প্রায় অসম্ভব।
তবুও কুমিল্লা আশা দেখছিলো কিছুটা স্লো উইকেট বলে। কিন্তু বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও উড়ন্ত সূচনা করে রংপুর। সৌম্য আর মোহাম্মদ শেহজাদ একের পর এক ছয় চার মারতে থাকেন। সেখানে আবার কুমিল্লার ত্রানকর্তা হিসেবে বল করতে আসেন মাশরাফি। তুলে নেন সৌম্যের উইকেট।

বলতে গেলে এটাই ছিল কুমিল্লার শেষ সফলতা। তারপর শেহজাদ আর মিঠুন দেখে শুনে খেলেন। দুজনই অর্ধশতকের কাছাকাছি পৌছান এবং দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসেন।  ১৭ তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে দলকে জেতানোর পাশাপাশি অর্ধশতক পূর্ণ করেন শেহজাদ। তার এই অসাধারণ ইনিংসের জন্য ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও হন। ৯ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় রংপুর।


সঙ্গে শুধুমাত্র একটি জয়ের জন্য কুমিল্লার অপেক্ষা আরো দীর্ঘায়িত হলো! 

Leave a Reply