রাজা তার হারানো রাজত্বের লক্ষে

আইসিসি আয়োজিত টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে একদিনের ও টি২০ বিশ্বকাপের পরেই অবস্থান আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। টেস্ট খেলুরে ১০টি দেশের মধ্যে সেরা আটটি দল রেংকিং অনুসারে ১ থেকে ৮ পর্যন্ত দলগুলো অংশগ্রহণ করে এই টুর্নামেন্টে। টুর্নামেন্ট শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। প্রথম দিকে ২বছর পরপর অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৯ সালের পর থেকে এটা ৪বছর পরপর

জমেছে ঢাকা লীগ

ঢাকা লীগে এবার সব দলই লড়ছে সমান তালে। কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। আজকে জয় পেয়েছে কলাবাগান ক্রিড়া চক্র, প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সংস্থা। কলাবাগান ক্রিড়া চক্র ১০ রানে জিতেছে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে। প্রথমে ব্যাট করে কলাবাগান ক্রিড়া চক্র ২৫৯ রান করে । কলাবাগানের হয়ে মেহরাব

মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংকের জয়

গত বছর শেষ ম্যাচে করেছিলেন ১৩২ বলে ১৪২ রান। এবার শুরুটা করলেন ১২৫ বলে ১৫৭ রানে। তবে গতবছর আবাহনীতে ছিলেন আর এবার মহামেডানে। নিষেধাজ্ঞার কারনে খেলতে পারেননি আগের ম্যাচ। সেই ধাকটাই যেনো দেখালেন ব্যাট হাতে। বলছিলাম তামিম ইকবালের কথা। তামিমের ১৫৭ রানের উপর ভর করে ২৪ রানের জয় পায় মোহামেডান। তামিম

সেই দিনের ২০ বছর পর।

১৩ই এপ্রিল ১৯৯৭ সাল এক বল এক রান দরকার। দুই ব্যাটসম্যান কথা বলে নিল। বল প্যাডে লাগতেই ভোঁ দৌড়। শুরু হলো আনন্দ দেশে ও দেশের বাইরে। সব ক্রিকেট প্রেমী বাঙালীরা নেমে গেলো রাস্তায় মিছিল করলো। কারন বাংলাদেশ দল আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে। ১৯৯৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ফাইনালের দল

আমাদের একজন সিলভা আছে

১৯৯৬ সালে শ্রীলংকা দলটা ছিলো অনেকটা ডার্ক হর্সের মত। কেউ ভাবেনি যে তারা বিশ্বকাপ জিততে পারে। কিন্তু সে'বার তারা বিশ্বকাপ জিতেছিলো। সেই দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন অর্জুনা রানাতুঙ্গা। ফাইনালে ৪৭ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছিলেন। বিশ্বকাপ জিততে একটা বড় ভুমিকা পালন করেছিলেন আরও একজন তিনি হলেন অরভিন্দ ডি সিলভা। ফাইনালে অপরাজিত

একজন মাশরাফি

নতুন বলের রাজা তিনি। ওনার প্রথম স্পেল যেকোনো ব্যাটসম্যানকে ভাবিয়ে তোলে। ইনসুইং, আউটসুইং, কাটার, স্লোয়ার, সব আছে ওনার কাছে আর সাথে অভিজ্ঞতা তো আছেই। শুধু আগের সেই গতিটাই নেই। সেটা না হয় বাদই দিলাম। তবুও তিনি দলের সেরা বোলার। প্রয়োজনে সব সময় নিজেই এগিয়ে আসেন বল হাতে। এনে দেন ব্রেক

শততম টেস্টে রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশের।

হেরাথের বলটা সুইপ করে একটু দাড়িয়ে ছিলো মিরাজ বলটা ফিল্ডারের কাছে গেলো কিন্তু মিসফিল্ডিং! সাথে সাথে দৌড় শুরু করল দুইজনই, মুশফিক ও মিরাজ। এক রান নিয়েই যেনো চিৎকার শুরু করলো ২ জন। ২ রান নিয়ে উৎসবে মেতে উঠলো তারা। কারণ নিজেদের শততম টেস্ট জিততে যে মাত্র দুই রান দরকার ছিলো। চতুর্থ

রোমাঞ্চকর চতুর্থ দিন

বাংলাদেশেরর শত তম টেস্টের চতুর্থ দিনে এসে যেনো নতুন রোমাঞ্চের আশা জাগাচ্ছে। পঞ্চম দিনের প্রথম সেশন তাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। কালকে দূর্দন্ত খেলতে থাকা করুনা রত্নে ও থারাঙ্গর শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি মাত্র তিন রান যোগ করতেই মেহেদি মিরাজের এক ম্যাজিক্যাল ডেলিভারি তে আউট হোন থারাঙ্গা। একই টেস্টে ২ইনিংসেই থারঙ্গাকে আউট

সাকিব মোসাদ্দেকে তৃতীয় দিনে লিড বাংলাদেশের

কাল যেভাবে শেষ হয়েছিলো আর সাকিব আল হাসান যেভাবে খেলছিলো হয়ত অনেকেই লিডের আশা করেননি। তবে আজ সকালটা যেনো সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা সকাল। ঠান্ডা মাথার সাকিব আল হাসান ও ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম ভালো ভাবেই সামলাচ্ছিলেন লংকান বোলারদের। তবে আজ যেনো সাকিব থেকে মুশফিকই একটু বেশি আক্রমনাত্মক ছিলেন। দলীয় ২৯০ রানে

পিসারা ওভালে ২য় দিন

শততম টেস্টের ২য় দিন গেলো আজ। ২য় সেশন টা বাংলাদেশের হলেও ১ম ও ৩য় সেশন টা ছিলো শ্রীলংকার।  প্রথম সেশনটা যেনো শ্রীলংকানরা তাদের জন্য সাজিয়ে ছিলো। প্রথম দিনে টপ অর্ডাররা ব্যার্থ হলেও প্রথম দিনে অপরাজিত থাকা চান্ডিমাল ট্যালেন্ডার দের নিয়ে ভালোই লড়াই করেছেন। তুলে নিয়েছেন তার ৮ম সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের সাথে