কম্যান্ডার অফ দ্যা অর্ডার অফ দ্যা ব্রিটিশ এম্পায়ার – কলিন কড্রে

ইংল্যান্ড এর ইতিহাসে যতগুলো অসাধারণ ব্যাটসম্যান এসেছে তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর ব্যাটিং কৌশলে মুগ্ধ হয়ে থাকত প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রাও। জন্ম তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশের উটিতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়, তাঁর বাবার পরিচালিত চা বাগানে। শুধু তিনিই নন তাঁর বাবার জন্মও হয়েছিল এই ভারতবর্ষেই। কোলকাতায় জন্ম নেয়া এই ইংলিশ পরিবার পরবর্তীতে মাদ্রাজে

শুভ জন্মদিন ম্যাকাবে

অনেকদিন আগে জ্যাকি চ্যানের একটি চলচ্চিত্র দেখেছিলাম। বেশ কিছু কারণে সেই চলচ্চিত্রের আবেশ এখনো রয়ে গেছে। জ্যাকি একটি রাজ্যের সেনাপতি। রাজসভার ষড়যন্ত্রে রাজার পক্ষের লোকগুলো সবাই বিপক্ষে চলে যায়। সেনাপতি শুধু সামান্য কিছু বিশ্বস্ত সৈনিক নিয়ে রয়ে যান রাজার পক্ষে। বিশাল সেনা বাহিনীর সাথে লড়াই করার জন্য সামান্য কয়েকজন সৈন্য

প্রসঙ্গ র‍্যাংকিংঃ উন্নতি নাকি অবনতি

'স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা বেশি কঠিন'! আইসিসি ওয়ান ডে র‍্যাংকিং নিয়ে এই মধুর পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পরে নিজেদের র‍্যাংকিং নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। দুশ্চিন্তার পাশাপাশি র‍্যাংকিং এর উন্নতির পথটাও খোলা আছে বাংলাদেশের সামনে। লংকানদের মাটিতে তাদেরকেই টেস্ট ক্রিকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে

বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগঃ সম্ভাবনা এবং প্রাপ্তির মেলবন্ধন!

যে কোন দেশের ক্রিকেটে উন্নতির জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নতির কোন বিকল্প নেই। ঘরোয়া ক্রিকেট স্ট্রাকচার যাদের যত উন্নত সেই দেশ ক্রিকেটে ততটাই উন্নতি করতে পারবে। জাতীয় দলের প্লেয়ার তো এই ঘরোয়া লীগ থেকেই আসবে। বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে ক্রিকেটের স্ট্রাকচার অবশ্য তেমন শক্ত নয়। তারপরও নিজেদের মেধা দিয়েই অনেকদুর এগিয়েছে বাংলাদেশ

রমন লাম্বা; যিনি থাকবেন আজীবন শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায়।

২রা অক্টোবর, ১৯৮৬! তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী গিয়েছিলেন রাজঘাট মহাত্মা গান্ধীর জন্ম তিথিতে সম্মান জানানোর জন্য। মহাত্মা গান্ধী স্মরণে আয়োজিত ভজন অনুষ্ঠানে রাজীব গান্ধীর উপর আততায়ীরা গুলি বর্ষণ করে। যদিও সেই গুলি লক্ষ্যভেদ করতে পারে নি প্রধানমন্ত্রীকে। এই ঘটনার পরে ভারতের প্রভাবশালী একটি ম্যাগাজিন কার্টুন ছাপায়। যেখানে দুই পুলিশ

একজন চামিন্দা ভাস!

নিজের নামকে সারা বিশ্বে আলোকিত করার জন্য কি প্রয়োজন? অবশ্যই এমন কিছু করে দেখাতে হবে যাতে করে পুরো পৃথিবীর মানুষ তাঁকে স্মরন করেন। আচ্ছা এমন যদি হয় শুধু মাত্র নাম দিয়েই নামী-দামি হওয়া যায়! তাহলে ব্যাপারটা কেমন হয়? অদ্ভুত মনে হয় কি? আচ্ছা এমন একজনের কথা বলি তাহলে। উনার পুরো

ওডিআই এ বাংলাদেশের যত জয়! প্রথম পর্ব!

আমি বন্ধু, পরিচিত-জন, এমনকি- শত্রুর জন্যেও অপেক্ষায় থেকেছি, বন্ধুর মধুর হাসি আর শত্রুর ছুরির জন্যে অপেক্ষায় থেকেছি- কিন্তু তোমার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকবো না, -প্রতীক্ষা করবো। 'প্রতীক্ষা' শব্দটি আমি শুধু তোমারই জন্যে খুব যত্নে বুকের তোরঙ্গে তুলে রাখলাম, অভিধানে শব্দ-দু'টির তেমন কোনো আলাদা মানে নেই- কিন্তু আমরা দু'জন জানি ঐ দুই শব্দের মধ্যে পার্থক্য অনেক, 'অপেক্ষা' একটি দরকারি শব্দ— আটপৌরে, দ্যোতনাহীন, ব্যঞ্জনাবিহীন, অনেকের প্রয়োজন

২০০৯, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি রোমন্থন!

সালটা ২০০৯! বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতির সময়টা মনে হয় তখন থেকেই শুরু। বছরের শুরুতেই তিন ম্যাচের সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে এসেছে বাংলাদেশে। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে তিন ম্যাচ! শুরুটা ১৯ শে জানুয়ারি। তবে শুরুটা বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না। প্রথম ম্যাচে পরাজয় দিয়েই শুরু। লো স্কোরিং ম্যাচে ২ উইকেটে পরাজিত বাংলাদেশ। মাত্র ১২৪

ফিরে দেখা স্বর্ণস্মৃতি; বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

১০ ই নভেম্বর ২০০০ থেকে ১০ ই জানুয়ারি ২০০৫। সময়ের হিসাবে দীর্ঘ পাঁচ বছর দুই মাস। আর টেস্টের হিসাবে ৩৪ টি টেস্ট। যার মধ্যে ৩১ টিতে পরাজয় আর আর মাত্র ৩ টি টেস্ট ড্র। ৩ টি ড্র টেস্টের মধ্যে আবার দুইটিই বৃষ্টির সাহায্যে ড্র। একমাত্র ক্যারিবিয়দের সাথে নিজের যোগ্যতায় ড্র।

ক্রিকেটের রাজহংস!

পাড়ার ক্রিকেটে যখন ব্যাটিং করার জন্য পিচে নামতাম তখন মনে মনে একটা কথাই বার বার বলতাম, ' আর যাই হোক না কেন, শুন্য রানে যাতে না আউট হই'। ব্যাপারটা মনে হয় সবার ক্ষেত্রেই এমন ছিল। কেইবা শুন্য রানে আউট হতে চায়?  শুন্য রানে আউট হওয়া মানেই যে স্কোর বোর্ডে বড়সড়