মাশরাফি বিন মর্তুজা একটি আবেগের নাম

মাশরাফি বিন মর্তুজা নামটার অর্থ কি? হবে কিছু একটা! আরেকজনের নামের অর্থ দিয়া করবো কি আমি! মাশরাফি বিন মর্তুজা কে? আমমম... একজন পেস বোলার, একজন সফল অধিনায়ক? আর কিছু তো মাথায় আসে না! শেষের দুই লাইন কোনদিনও কোন বাঙালি ক্রিকেট সমর্থক এর মনেও আসে না, মুখে দূরে থাক। কারণ? তিনি মাশরাফি বিন মর্তুজা, তিনি ম্যাশ, তিনি

ডেভিড হুকস অথবা শিশিরের গল্প!

২০০৩ সালে ডেভিড হুকস নামে এক সাহেব বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়া চাইলে বাংলাদেশকে টেস্টে ১ দিনেই হারাতে পারে। নাক উচু ইংলিশ বয়কট বলেছিলেন ২০০৫ সালে, তার বুড়ো দাদীমাও বাংলাদেশের চেয়ে ভালো করবে টেস্টে। কারণ, ইংল্যান্ডের বাতাস আর সুইং এ তখন বিধ্বস্ত বাংলাদেশ দল, টেস্ট হারছে ৩ দিনেই। পুরো ২০১৫ ওয়ানডেতে দুর্দান্ত খেলার পরও, দুই

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সমস্যা ও ভবিষ্যত

১. একটা ভালো দল কিভাবে হওয়া যায়? অথবা কথাটাকে আরেকটু অন্য ভাবে সাজানো যায়। একটা ভালো দল হবার জন্য দলে কি কি থাকা প্রয়োজন? কোন সন্দেহ নেই যে সবার আগে প্রয়োজন ট্যালেন্টেড খেলোয়াড়। কিন্তু শুধু ট্যালেন্টেড খেলোয়াড় দিয়ে সব কিছু অর্জন করা সম্ভব হয় না। দুনিয়ার সব দেশেই মোটামুটি ট্যালেন্টেড খেলোয়াড় রয়েছে।

ইন্দো-বাংলা দ্বৈরথ

উপমহাদেশীয় ক্রিকেট মানেই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তা এক স্পেশাল প্যাকেজ। যে প্যাকেজ আবেগ, ভালবাসা, উত্তেজনা আর লড়াই এর সংমিশ্রণে গঠিত। উপমহাদেশের বাইরে ক্রিকেটকে শুধুমাত্র প্রফেশনের চোখে দেখা হলেও এখানে এটি প্রফেশনের চাইতেও বেশি কিছু। পাক-ভারত দ্বৈরথ কিংবা পাক-বাংলা লড়াই এখানে পায় ভিন্ন মাত্রা। বিগত কয়েক দশক ধরে পাক-ভারত লড়াই ক্রিকেটমোদিদের মনে

জয়ের অনুপ্রেরণা চাই, চাপ নয়

বহু বছর পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলতে গিয়েই বাজিমাত করেছে লাল সবুজের দল, টুর্নামেন্ট ফেভারিট অস্ট্রেলিয়া আর অধিকাংশ টুর্নামেন্টের ব্ল্যাক হর্স নিউজিল্যান্ডকে টপকে সেমিফাইনালে উঠে। সেমিতে প্রতিপক্ষ ভারত, যাদের সাথে সাম্প্রতিক ইতিহাসটা খুব সুন্দর নয়! ভারত পাকিস্তান লড়াইটা বছর দুয়েক ধরে অস্তমিত, পাকিস্তানের অধঃপতনে ভারত এখন এক সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে আগুন ঝরানো

ওডিআই ক্রিকেট ও বাংলাদেশের সাফল্যের অলিগলি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাস সময়ের সাথে ক্রমান্বয়ে সমৃদ্ধশালী। এদেশের ক্রিকেট ইতিহাস মাত্র ৩৩ বছরের ইতিহাস। সংখ্যার হিসেবে কম দেখালেও আজ এই ২০১৭ এর বাংলাদেশ হতে পোড়াতে হয়েছে অনেক কাঠখড়। লিকলিক করে বেড়ে উঠেছে এদেশের ক্রিকেট অবকাঠামো। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে আসলে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।

আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নভেলায়

কাল যদি রয়টার্স অথবা বিবিসির কোন সাংবাদিক চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সম্পর্কে ঢাকাবাসীর মতামত নিতে বের হতেন, তবে মোটামুটি নিশ্চিত যে ২-৩ জনের সাথে কথা বলার পরই ভাবতেন, একি! এয়ারওয়েজের ব্যাটারা ভুল করে লন্ডন টু ঢাকার বদলে কি লন্ডন টু ম্যানচেস্টার ফ্লাইটে উঠালো নাকি! সব দেখি ইংলিশ ফ্যান, সবার মুখের কথা একটাই,

জ্বলে পুড়ে মরে ছাড়খার, তবু মাথা নোয়াবার নয়

কার্ডিফ শব্দটা বললে বাংলাদেশী ক্রিকেট ভক্তদের মনে যেই কথাটা ভেসে ওঠে সেটা মোহাম্মদ আশরাফুলের সেই সেঞ্চুরিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়ার সাথে জয়, যে জয় সে সময় অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশী অলৌকিক ছিলো। আর না; বাজি ধরে বলতে পারি, কার্ডিফ শুনলে এরপর থেকে সাকিব আল হাসান আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকেই মনে পড়বে। দুইজনের দুই সেঞ্চুরিতে

আন্ডারডগ থেকে ডার্কহর্স, এরপর কি চ্যাম্পিয়ন?

আসছে ১ জুন শুরু হচ্ছে একদিনের ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। প্রায় ১৩ বছর পর এতে সুযোগ পেলো লাল-সবুজেরা, জায়গাটা আদায় দাপটের সাথেই, টাইগারদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিটা শুরু হবে র‍্যাংকিং এর ৬ নম্বর দল হিসেবে, এক সময়ে পাকিস্তান শ্রীলংকাকে হারালেই নেচে কুদে পাগল হলেও, এখন তারা চলে গেছে পেছনে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির

কেন হারিয়ে যান রাসেল নাজমুলেরা?

সৈয়দ রাসেলের কথা মনে আছে? ছয় ফুট এক ইঞ্চি লম্বা ছেলেটা। স্লো মিডিয়াম ফাস্ট বল করত। যখন বাংলাদেশের কাছে প্রতিটি জয় ছিল সোনার হরিণ সেই সময় বাংলাদেশের অনেক জয়ের নেপথ্য নায়ক ছিলেন সৈয়দ রাসেল। টেস্টে খুব বেশি ভালো করেননি। ৬ টেস্টে মাত্র ১২ উইকেট। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তিনি দারুন