কম্যান্ডার অফ দ্যা অর্ডার অফ দ্যা ব্রিটিশ এম্পায়ার – কলিন কড্রে

ইংল্যান্ড এর ইতিহাসে যতগুলো অসাধারণ ব্যাটসম্যান এসেছে তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর ব্যাটিং কৌশলে মুগ্ধ হয়ে থাকত প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রাও। জন্ম তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশের উটিতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়, তাঁর বাবার পরিচালিত চা বাগানে। শুধু তিনিই নন তাঁর বাবার জন্মও হয়েছিল এই ভারতবর্ষেই। কোলকাতায় জন্ম নেয়া এই ইংলিশ পরিবার পরবর্তীতে মাদ্রাজে

শুভ জন্মদিন ম্যাকাবে

অনেকদিন আগে জ্যাকি চ্যানের একটি চলচ্চিত্র দেখেছিলাম। বেশ কিছু কারণে সেই চলচ্চিত্রের আবেশ এখনো রয়ে গেছে। জ্যাকি একটি রাজ্যের সেনাপতি। রাজসভার ষড়যন্ত্রে রাজার পক্ষের লোকগুলো সবাই বিপক্ষে চলে যায়। সেনাপতি শুধু সামান্য কিছু বিশ্বস্ত সৈনিক নিয়ে রয়ে যান রাজার পক্ষে। বিশাল সেনা বাহিনীর সাথে লড়াই করার জন্য সামান্য কয়েকজন সৈন্য

অক্ষমতা যখন অস্ত্র

১৯৪৫, মে ১৭। আজকের দিনেই ভারতে জন্মগ্রহণ করেন ভাগবত চন্দ্রশেখর নামের একজন শিশু। পোলিওমেলাইটিস দ্বারা আক্রান্ত হন শিশুকালেই। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তার ডান হাতটি শুকিয়ে যায়। কিন্তু কে ভেবেছিল ঐ শুকিয়ে যাওয়া হাতটিই একদিন বিশ্বজয়ী হাত হয়ে উঠবে। প্রতিবন্ধী ছেলেটিই করবে একদিন বিশ্বজয়। কিন্তু সেই শুকিয়ে যাওয়া হাতই দিয়েছে ভারতকে

ফাঁসিতে মৃত্যু ক্রিকেটারের

১৭মে তারিখটা আপনার অনেক কিছু হিসেবেই মনে থাকতে পারে। তবে ক্রিকেটের ইতিহাসে দিনটা একটু অন্যরকম। কেন? ১৯৫৫ সালের আজ এই দিনে যে ক্রিকেট ইতিহাসের এক টেস্ট ক্রিকেটারকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিলো, যে কিনা এখন পর্যন্ত ফাঁসি দেয়া একমাত্র টেস্ট ক্রিকেটার। নামটা লেসলি হিল্টন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফাস্ট বোলার, জন্মগতভাবে জ্যামাইকান । খেলেছেন ৬ টেস্ট,

শুভ জন্মদিন মিঃ ফিনিশার

১. ৪৩ ওভারে ১৭২ রানের টার্গেট এই যুগে তেমন বড় কিছু না। আজকাল টি২০ তেও এই রান কোন সমস্যা মনে করা হয় না। ১৯৯৫/৯৬ সালের প্রেক্ষাপটেও তেমন বড় কিছু ছিল না। কিন্তু অ্যামব্রোস আর ওয়ালসের মতো বোলাররা যেদিন আগুন জড়ায় সেদিন রান করা দূরে থাক, টিকে থাকাটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সেই

সেই দিনের ২০ বছর পর।

১৩ই এপ্রিল ১৯৯৭ সাল এক বল এক রান দরকার। দুই ব্যাটসম্যান কথা বলে নিল। বল প্যাডে লাগতেই ভোঁ দৌড়। শুরু হলো আনন্দ দেশে ও দেশের বাইরে। সব ক্রিকেট প্রেমী বাঙালীরা নেমে গেলো রাস্তায় মিছিল করলো। কারন বাংলাদেশ দল আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে। ১৯৯৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ফাইনালের দল

বিশ্বসেরা হবার শিক্ষকঃ শুভ জন্মদিন

দশ বছর আগে যদি আপনাকে এসে আমি বলতাম, আমাদের দেশের একটা ছেলে ক্রিকেটে বিশ্বসেরা হবে, আপনি নিশ্চয়ই হো হো করে হেসে উঠতেন। জেমি সিডন্স যখন অজি লেগ স্পিনার ক্যারি ও কিফ এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছিলেন আমাদের একটা ছেলে বিশ্বের সেরা ফিঙ্গার স্পিনার, দেবব্রতদা এর মতো সাংবাদিকরা হেসেছিলেন! সমস্যা হলো, আপনি যেই

শুভ জন্মদিন নীরব ঘাতক

একজন খেলোয়াড় মাত্রই বিশ্বকাপ জিতলেন, ১১ ম্যাচে ১৩.৭৩ গড়ে ২৬ টি উইকেট নিয়ে কাপ জয়ে অবদান রাখার সাথে সাথে টুর্নামেন্ট সেরা। অথচ প্রশ্ন শুনতে হচ্ছে , ‘এখনই কেন’? ম্যাকগ্রার উত্তরটাও সুন্দর ছিল, ‘এই প্রশ্নটা করবেন বলেই। আমি শুনতে চাই না আমাকে নিয়ে কেউ বলুক এখনো অবসর নিচ্ছে না কেন?’ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি

আজ ফুটেছিলো এক নীল পদ্ম

১৯৯৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল বাংলাদেশ আর কেনিয়ার মধ্যকার খেলা। বাংলাদেশ জিততে পারলে খেলবে ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপ। বৃষ্টির কারনে ডিএল মেথডে বাংলাদেশ এর টার্গেট দাড়ায় ১৬৬ রান। লাস্ট ওভারে দরকার পরে ১১ রান। প্রখম বলেই ছক্কা। ছক্কা মেরেই ব্যাটে চুমু খেলেন ব্যাটসম্যান। লাস্ট বলে দরকার পরে ১ রান ছক্কা মারা

ফিরে দেখা স্বর্ণস্মৃতি; বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

১০ ই নভেম্বর ২০০০ থেকে ১০ ই জানুয়ারি ২০০৫। সময়ের হিসাবে দীর্ঘ পাঁচ বছর দুই মাস। আর টেস্টের হিসাবে ৩৪ টি টেস্ট। যার মধ্যে ৩১ টিতে পরাজয় আর আর মাত্র ৩ টি টেস্ট ড্র। ৩ টি ড্র টেস্টের মধ্যে আবার দুইটিই বৃষ্টির সাহায্যে ড্র। একমাত্র ক্যারিবিয়দের সাথে নিজের যোগ্যতায় ড্র।