শুভ জন্মদিন রিকি পন্টিং।

ক্রিকেটে বিরল কীর্তি কোনটি? বিষয়টা ব্যাখ্যা করার জন্য তিনটা কীর্তির কথা আগে একটু বলি। প্রথম কীর্তিঃ যে কোন একজন ক্রিকেটারের আজন্ম স্বপ্ন কোনটা? জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া, যদি পরিধিটা একটু বাড়ানো হয় তাহলে সেটা হবে টেষ্ট দলে সুযোগ পাওয়া। যদি কোন ক্রিকেটার জাতীয় দলের হয়ে সব ভার্সনেই সুযোগ পায় তাহলে তো

শুভ জন্মদিন বিজয়

এনামুল হক বিজয়! একরাশ হতাশার নাম। ক্রিকেটে এসেছিলেন ধ্রুবতারা হয়ে। হঠাৎ করে হারিয়ে গেলেন। দীর্ঘ দিন যাবৎ দেশের হয়ে মাঠে দেখা যায়নি এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যানকে। দেশের হয়ে তিন ফরম্যাটে পর্যালোচনা করলে বিজয়কে টেস্ট ছাড়া ফেলে দেয়ার উপক্রম হয় না! সময়ের স্রোতের মত আর কত বিজয়কে এভাবে হারিয়ে যেতে দেখব! আজ বাংলাদের

দ্যা প্রিন্স অফ ক্রিকেট পিচ – কুমার শ্রী দুলিপসিংজি।

কুমার শ্রী দুলিপসিংজি, জন্ম নিয়েছিলেন ১৩ই জুন ১৯০৫। অবিভক্ত ভারত বর্ষের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানা হয়ে থাকে তাঁকে। জন্ম নিয়েছিলেন ভারতের বিখ্যাত রাজ পরিবারে। তার চাচা ছিলেন প্রিন্স রণজিৎসিংজি। ব্রিটিশ ভারতের ছোট্ট একটি ষ্টেট নাওয়ানগর এর রাজপরিবারের গৌরবময় রক্তের ধারা যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসাবেই এই পৃথিবীতে আসেন তিনি। তার চাচা প্রিন্স

মার্ভ হিউজ – ক্রিকেটের সুমো

মার্ভ হিউজ - ক্রিকেটের সুমো

স্বাস্থ্যটা ঠিক ফাষ্ট বোলার সুলভ ছিল না। উচ্চতাটা মানানসই হলেও (৬’ ৪”) একটু ওভার ওয়েট ছিলেন। ১৯৯৩ সালের অ্যাসেজ ট্যুরে যখন বল করতে শুরু করতেন তখন দর্শকেরা চিৎকার শুরু করতো ‘সুমো’ বলে। ট্রেড মার্ক গোফটা দেখে মনে হতো কোন স্কুলের রাগী হেড মাষ্টার বোধ হয় মাঠে তার পালিয়ে যাওয়া ছাত্রটাকে

বাংলাদেশের ক্রিকেট বিপ্লবীকে শুভেচ্ছা

মাশরাফি! একটা বিষ্ফোরনের নাম। হারতে হারতে ক্লান্ত এক জাতীর জন্য অনন্য এক নেতার নাম। আপনি চাইলে তাকে প্রতিকী অর্থে বিপ্লবী বলতে পারেন। চিত্রা নদীর পার থেকে বিপ্লবের শিক্ষা নিয়েছেন, হার না মানার শিক্ষা। বারবার উঠে স্বপ্নের পানে ছুটে যাবার প্রেরণার শিক্ষা। বিপ্লবী কিন্তু তাকে বলাই যায়। ক্রিকেটীয় হিসেব নিকেশে আপনার যাওয়াই