একজন চামিন্দা ভাস!

নিজের নামকে সারা বিশ্বে আলোকিত করার জন্য কি প্রয়োজন? অবশ্যই এমন কিছু করে দেখাতে হবে যাতে করে পুরো পৃথিবীর মানুষ তাঁকে স্মরন করেন। আচ্ছা এমন যদি হয় শুধু মাত্র নাম দিয়েই নামী-দামি হওয়া যায়! তাহলে ব্যাপারটা কেমন হয়? অদ্ভুত মনে হয় কি? আচ্ছা এমন একজনের কথা বলি তাহলে। উনার পুরো

ওডিআই এ বাংলাদেশের যত জয়! প্রথম পর্ব!

আমি বন্ধু, পরিচিত-জন, এমনকি- শত্রুর জন্যেও অপেক্ষায় থেকেছি, বন্ধুর মধুর হাসি আর শত্রুর ছুরির জন্যে অপেক্ষায় থেকেছি- কিন্তু তোমার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকবো না, -প্রতীক্ষা করবো। 'প্রতীক্ষা' শব্দটি আমি শুধু তোমারই জন্যে খুব যত্নে বুকের তোরঙ্গে তুলে রাখলাম, অভিধানে শব্দ-দু'টির তেমন কোনো আলাদা মানে নেই- কিন্তু আমরা দু'জন জানি ঐ দুই শব্দের মধ্যে পার্থক্য অনেক, 'অপেক্ষা' একটি দরকারি শব্দ— আটপৌরে, দ্যোতনাহীন, ব্যঞ্জনাবিহীন, অনেকের প্রয়োজন

শুভ জন্মদিন রিকি পন্টিং।

ক্রিকেটে বিরল কীর্তি কোনটি? বিষয়টা ব্যাখ্যা করার জন্য তিনটা কীর্তির কথা আগে একটু বলি। প্রথম কীর্তিঃ যে কোন একজন ক্রিকেটারের আজন্ম স্বপ্ন কোনটা? জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া, যদি পরিধিটা একটু বাড়ানো হয় তাহলে সেটা হবে টেষ্ট দলে সুযোগ পাওয়া। যদি কোন ক্রিকেটার জাতীয় দলের হয়ে সব ভার্সনেই সুযোগ পায় তাহলে তো

মৃত্যুঞ্জয়ী আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল

হেভি আরাম লাগতেছে। দেশের জন্যে রক্ত দেওয়াও হইল, আবার জানটাও রাখা হইলো। কইয়া বেড়াইতে পারুম দেশের জন্যে যুদ্ধ কইরা আঙ্গুল শহীদ হইছিলো। হা হা হা। মুক্তিযুদ্ধে আহত হবার পরে, শারীরিক কষ্ট ভুলে সাহসী এই কথাগুলো বলেছিলেন মাত্র ২১ বছর বয়সী এক তরুণ। স্বাধীন দেশে গর্ব করে অবশ্য এই কথাগুলো বলা হয়নি

দ্যা প্রিন্স অফ ক্রিকেট পিচ – কুমার শ্রী দুলিপসিংজি।

কুমার শ্রী দুলিপসিংজি, জন্ম নিয়েছিলেন ১৩ই জুন ১৯০৫। অবিভক্ত ভারত বর্ষের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানা হয়ে থাকে তাঁকে। জন্ম নিয়েছিলেন ভারতের বিখ্যাত রাজ পরিবারে। তার চাচা ছিলেন প্রিন্স রণজিৎসিংজি। ব্রিটিশ ভারতের ছোট্ট একটি ষ্টেট নাওয়ানগর এর রাজপরিবারের গৌরবময় রক্তের ধারা যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসাবেই এই পৃথিবীতে আসেন তিনি। তার চাচা প্রিন্স

ক্যাপ্টেন, দ্য ড্রীমম্যান অন দ্য ফিল্ড – অর্জুনা রানাতুঙ্গা

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দলের প্রতীকের জায়গায় অর্জুনা রানাতুঙ্গার নাম লিখে দিলে কেমন দেখাবে? খুব বেশী বেমানান লাগবে না মনে হয় দেখতে। কথাটা কেন বলছি এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন। লঙ্কান দলের প্রতীক হল সিংহ রানাতুঙ্গাকে সিংহ বললে আপত্তি করার খুব বেশী কারণ নেই! ক্রিকেটের জমিদারির যুগে তারায় তারায় খচিত সব দল হঠাতই পচা শামুকে

আজ তাঁর আটাশ হলো

একটি প্রেমের গল্প বলবো। যেখানে প্রেমিক বারবার প্রত্যাখ্যাত, কিন্তু ভালোবাসা অবিরত। ফিল হিউজের সাথে ক্রিকেটের প্রেমের গল্পটা এমনই। কবিগুরুর কথাটা মনে পড়ছে খুব,'জন্মদিন মোরে নিয়ে যায় মৃত্যুদিনের কাছে'। কথাটা তিনি বলেছিলেন, একটা জন্মদিন আসা মানেই জীবনের আয়ুস্কাল থেকে একটা পাতা খসিয়ে ফেলা অর্থে। কিন্তু একজন কথাটাকে এভাবে ভাবানুবাদ থেকে আক্ষরিক অনুবাদ

কেমন আছেন ফিল হিউজ?

স্বর্গের ক্রিকেট টীমটা অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠছে আস্তে আস্তে। বৃদ্ধদের সাথে সাথে এখন তরুনরাও যে যোগদান করছে সেই দলে। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দেখতে বসেছেন সবাই। হঠাৎ ব্রাডম্যান বলে উঠলো ফিল তোকে খুব মিস করছি এই দলে, বলেই তাকালো ফিল হিউজের দিকে। ফিলও তাকিয়ে আছে তাদের দলের সবচেয়ে সেরা খেলোয়ারের

মার্ভ হিউজ – ক্রিকেটের সুমো

মার্ভ হিউজ - ক্রিকেটের সুমো

স্বাস্থ্যটা ঠিক ফাষ্ট বোলার সুলভ ছিল না। উচ্চতাটা মানানসই হলেও (৬’ ৪”) একটু ওভার ওয়েট ছিলেন। ১৯৯৩ সালের অ্যাসেজ ট্যুরে যখন বল করতে শুরু করতেন তখন দর্শকেরা চিৎকার শুরু করতো ‘সুমো’ বলে। ট্রেড মার্ক গোফটা দেখে মনে হতো কোন স্কুলের রাগী হেড মাষ্টার বোধ হয় মাঠে তার পালিয়ে যাওয়া ছাত্রটাকে

আমি নায়কের গল্প বলছি

আমাদের চলচ্চিত্র জগৎ নাকি এক ক্রান্তিকাল পার করছে! ভালো মৌলিক কোন গল্প নেই, নেই অভিনয় দক্ষতা , ভালো কারুকাজ নেই, এরকম আরো কত অভিযোগ যে চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের! চলচ্চিত্রে নাকি নায়ক সংকটও প্রখর। পার্শ্ববর্তী দেশে যখন শাহরুখ খান, আমির বা সালমান খানকে নিয়ে সে দেশের জনগণের মাতামাতি দেখি, সাধারণ আমজনতা হিসেবে