মাহমুদুল্লাহর কাছে হেরে গেলেন মুশফিকুর রহিম

মাহমুদুল্লাহর কাছে হেরে গেলেন মুশফিকুর রহিম

১৫২ রানের লক্ষ্য ছিলো বরিশাল বুলসের সামনে ৷ কিন্তু পারলো না বরিশাল ৷ খুলনার অধিনায়ক মাহমুদুল্লার দারুন ক্যাপ্টেন্সিতে মুশফিকের বরিশাল বুলসকে হারিয়ে দিলো খুলনা টাইটেন্স। চট্টগ্রাম পর্বে যেন নিজেদের খুজেই পাচ্ছেনা বরিশাল ৷ একের পর এক জয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিপক্ক করছে খুলনা ৷

টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়ে শুরুতে দারুন খেলে বরিশাল ৷ ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দারুন সূচনা এনে দেন বরিশালকে তাইজুল ৷ ধুঁকতে থাকা খুলনাকে টেনে তোলার দ্বায়িত্ব নিজের কাধে চাপিয়ে ”সাইলেন্ট কিলার” খ্যাত মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ২৬ বলে ৪৪ রানের একটি অনাবদ্য ইনিংস খেলে সেই তাইজুলের বলেই আউট হোন ৷ এরপরের বলেই শুভাগত হোম কোন বল না খেলেই সাজঘরে ফিরেন রানআউটের মাধ্যমে! দলীয় ১২৫ রানে রিকিকে ফেরান সাজঘরে এমরিত ৷ তবে লোয়ার অর্ডারের ভালো পারফর্ম্যান্সে ২০ ওভার শেষে ১৫১ রান করতে সক্ষম হয় খুলনা ৭ উইকেট হারিয়ে ৷

১৫২ রানের টার্গেটে খেলতে নামা বরিশালের ওপেনার ফজলে রাব্বি ২ বলে খেলে ০ রান করে জুনাইদ খানের শিকারে পরিণত হোন ৷ আরেক ওপেনার জীবন মেন্ডিস ভালো সূচনা করেও বেশিক্ষন স্থায়ী হতে পারেননি ৷ এবার শফিউলের শিকারে পরিণত হোন মেন্ডিস। ওয়ান ডাউনে সামসুর রহমানকে নামানোর পর তিনিও ব্যর্থ হোন ৷ ১২ রান করে মাহমুদুল্লাহ ফেরান সামসুর রহমানকে ৷ এবার এক প্রান্তে শাহরিয়ান নাফিস অন্য প্রান্তে মুশফিকুর রহিম দুজনের জুটি দারুন জমছিলো ৷ কিন্তু রান রেট বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে শুভাগত হোমকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান নাফীস ব্যক্তিগত ২৮ রানে ৷ শ্রীলংকান অল রাউন্ডার পেরেইরার ওপর অগাথ আস্থা ছিলো সমর্থকদের ৷ কিন্তু পেরেইরা প্রথম বলেই আউট হয়ে যান ৷ বরিশালের কাপ্তান মুশফিক চেষ্টা করেছিলো কিন্তু তিনিও পারেননি, ২৩ বলে ৩৫ রান করে দলীয় ৯৮ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ৷ সবশেষে ১২৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বরিশাল সবকটি উইকেট হারিয়ে, ১৯ ওভার ৩ বলে  এবং  আরো একটি দারুন জয় পায় খুলনা টাইটেন্স ৷ ২২ রানে ম্যাচটি জিতে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ় রাখে।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হোন খুলনার কাপ্তান মাহমুদুল্লাহ।

Leave a Reply