শুভ জন্মদিন রিকি পন্টিং।

ক্রিকেটে বিরল কীর্তি কোনটি? বিষয়টা ব্যাখ্যা করার জন্য তিনটা কীর্তির কথা আগে একটু বলি। প্রথম কীর্তিঃ যে কোন একজন ক্রিকেটারের আজন্ম স্বপ্ন কোনটা? জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া, যদি পরিধিটা একটু বাড়ানো হয় তাহলে সেটা হবে টেষ্ট দলে সুযোগ পাওয়া। যদি কোন ক্রিকেটার জাতীয় দলের হয়ে সব ভার্সনেই সুযোগ পায় তাহলে তো

সোনার হরিণ ছুয়ে দেখা; বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে মুশফিকই যে প্রথম!

বাংলাদেশের ক্রিকেটে 'মিস্টার ডিপেন্ডেবল' খ্যাত মুশফিকুর রহিম, ৮ই মার্চ, ২০১৩ তারিখে শ্রীলঙ্কার গলে নিজ টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১ তম ম্যাচ খেলতে নামেন। তখন পর্যন্ত তার টেস্ট ক্যারিয়ার বলতে ১টি মাত্র সেঞ্চুরি। কে জানত এই মি. ডিপেন্ডেবলই হবেন বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান! স্যার ডন ব্রডম্যান একাই ১২টি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। তাই টেস্ট ক্রিকেটে

শুভ জন্মদিন বিজয়

এনামুল হক বিজয়! একরাশ হতাশার নাম। ক্রিকেটে এসেছিলেন ধ্রুবতারা হয়ে। হঠাৎ করে হারিয়ে গেলেন। দীর্ঘ দিন যাবৎ দেশের হয়ে মাঠে দেখা যায়নি এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যানকে। দেশের হয়ে তিন ফরম্যাটে পর্যালোচনা করলে বিজয়কে টেস্ট ছাড়া ফেলে দেয়ার উপক্রম হয় না! সময়ের স্রোতের মত আর কত বিজয়কে এভাবে হারিয়ে যেতে দেখব! আজ বাংলাদের

টেস্টের সোনার হরিণ

টেস্ট ক্রিকেট হলো ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো সংস্করণ । আইসিসির প্রতিটি সহযোগী দেশ টেস্ট খেলার স্বপ্ন দেখে । যেমনটা দেখেছিলো বাংলাদেশ ও। ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপে পাকিস্তান কে হারায় বাংলাদেশ ।  আর তার পুরস্কার সরুপ ২০০০ সালের ২৬ জানুয়ারি আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে বাংলাদেশ।আর তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর

ক্রিকেটের রাজহংস!

পাড়ার ক্রিকেটে যখন ব্যাটিং করার জন্য পিচে নামতাম তখন মনে মনে একটা কথাই বার বার বলতাম, ' আর যাই হোক না কেন, শুন্য রানে যাতে না আউট হই'। ব্যাপারটা মনে হয় সবার ক্ষেত্রেই এমন ছিল। কেইবা শুন্য রানে আউট হতে চায়?  শুন্য রানে আউট হওয়া মানেই যে স্কোর বোর্ডে বড়সড়

ক্রিকেটের অধিনায়কেরা!

১. ‘অধিনায়ক’ – ক্রিকেটের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। সব দলীয় খেলাতেই একজন অধিনায়ক থাকে কিন্তু ক্রিকেটে অধিনায়কের গুরুত্ব যতখানি অন্য কোন খেলায় খুব সম্ভবত এতটা নেই। মাঠে থাকা অবস্থায় অধিনায়ককেই মূহুর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হতে হয়। বোলিং পরিবর্তন, ব্যাটসম্যানের দূর্বলতা বুঝে ফিল্ডিং পরিবর্তন, অফ ফর্মে থাকা কোন খেলোয়াড়কে সমর্থন দেয়া, সব

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সিরিজ জয়

বাংলাদেশ ক্রিকেটে সুসময় চলছে এখন। বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিনিয়ত নতুন করে নিজেদের চেনাচ্ছে টাইগাররা। হরহামেশাই বাংলাদেশ আজকাল বলে-কয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছে বেশ অনায়াসেই। কিন্তু সব সময় এমনটা ছিল তা কিন্তু নয়। কয়েক বছর আগেও এদেশের ক্রিকেট প্রেমীরা চাতক পাখির মত অপেক্ষা করত, কখন বাংলাদেশ একটা ম্যাচ জিতবে এই আশায়। একটা সময়

মৃত্যুঞ্জয়ী আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল

হেভি আরাম লাগতেছে। দেশের জন্যে রক্ত দেওয়াও হইল, আবার জানটাও রাখা হইলো। কইয়া বেড়াইতে পারুম দেশের জন্যে যুদ্ধ কইরা আঙ্গুল শহীদ হইছিলো। হা হা হা। মুক্তিযুদ্ধে আহত হবার পরে, শারীরিক কষ্ট ভুলে সাহসী এই কথাগুলো বলেছিলেন মাত্র ২১ বছর বয়সী এক তরুণ। স্বাধীন দেশে গর্ব করে অবশ্য এই কথাগুলো বলা হয়নি

এই দিনে মনে পড়ে সেই দিন

২০১৬ বিপিএল টা শেষ হয়ে গেলো। চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটস, রানার্সআপ রাজশাহী কিংস। টুর্নামেন্ট সেরা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। পুরষ্কারটা ঘোষণার সাথে সাথেই আমার মনের স্মৃতির পাতা উল্টোনো শুরু, থামলো গিয়ে ২০১৪ তে। সেই বীভৎস ২০১৪ তে! জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরুর ঠিক আগে। ২০১৪ সালটা ভয়াবহ ছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য। ঘরের মাঠে ভারত পাকিস্তান শ্রীলংকা

ফাইনালে ঢাকা।

ফাইনালে যাওয়ার লক্ষে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আজ মাঠে নেমেছিলো খুলনা টাইটান্স ও ঢাকা ডায়নামাইটস। যে দল জিতবে তারাই সরাসরি চলে যাবে ফাইনালে। হেরে গেলেও সুযোগ থাকবে ফাইনালে যাবার তবে খেলতে হবে আরেকটি ম্যাচ। তাই এক ম্যাচ কম খেলেই ফাইনালে যেতে চাইবে যেকোনো দল। ম্যাচে টসে জিতে সাকিবের ঢাকাকে ব্যাটিং এ পাঠায়