একজন মাশরাফি

নতুন বলের রাজা তিনি। ওনার প্রথম স্পেল যেকোনো ব্যাটসম্যানকে ভাবিয়ে তোলে। ইনসুইং, আউটসুইং, কাটার, স্লোয়ার, সব আছে ওনার কাছে আর সাথে অভিজ্ঞতা তো আছেই। শুধু আগের সেই গতিটাই নেই। সেটা না হয় বাদই দিলাম। তবুও তিনি দলের সেরা বোলার। প্রয়োজনে সব সময় নিজেই এগিয়ে আসেন বল হাতে। এনে দেন ব্রেক

লংকানদের অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন নাম্বার ওয়ান সাকিব খান

গতকাল রাতেই অনেকটা নিশ্চিত ছিল প্লেয়িং একাদশে কোন পরিবর্তন আসছে না। শুভাগত হোম আর শুভাশিস রায় দুজনই ছিলেন তাই নির্ভার! অবসর সময়টুকু কিভাবে কাটাবেন তা নিয়ে চলছিল আলোচনা। হঠাৎ করেই মনে পরল রাত ১২ বাজলেই ঢালিউডের বিগেস্ট স্টার নাম্বার ওয়ান সাকিব খানের! কি আর করা, সাকিব খানের মুভি দেখেই সময়

সিংহের গুহায় বাঘের হুংকার!

"আমরা করব জয়, আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন!" এই প্রত্যয় আমাদের মাঝে সব সময়ই ছিল। কিন্তু সেই একদিন যে কবে আসবে তা হয়ত আমরা সঠিক করে বলতে পারতাম না। কিন্তু আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে হয়ত আমরা নিশ্চিত করেই বলতে পারি, হ্যা আজকের দিনটাই সেই দিন। সিরিজ শুরু হবার আগে

জয়ই যে সিরিজে একমাত্র সাফল্য!

পাহাড়ের কোল ঘেষা ডাম্বুলায় সাকিবের জন্মদিনে নিয়ে কি বাংলাদেশ দলের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা ছিলো? সাকিবকে চমকে দেয়ার? থাকলেও তা বাস্তবায়নের সাধ্য ছিলো কই! পরের দিনই যে মাঠে নামতে হবে, জয়ের লক্ষ্যে। সাদা বলে রঙিন পোশাকে এখন বাংলাদেশ বদলে যাওয়া এক দল। জয়ের লক্ষ্যে তারা যেকোনো দলের বিরুদ্ধেই মাঠে নামে। আর এই

বিশ্বসেরা হবার শিক্ষকঃ শুভ জন্মদিন

দশ বছর আগে যদি আপনাকে এসে আমি বলতাম, আমাদের দেশের একটা ছেলে ক্রিকেটে বিশ্বসেরা হবে, আপনি নিশ্চয়ই হো হো করে হেসে উঠতেন। জেমি সিডন্স যখন অজি লেগ স্পিনার ক্যারি ও কিফ এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছিলেন আমাদের একটা ছেলে বিশ্বের সেরা ফিঙ্গার স্পিনার, দেবব্রতদা এর মতো সাংবাদিকরা হেসেছিলেন! সমস্যা হলো, আপনি যেই

প্রসঙ্গ র‍্যাংকিংঃ উন্নতি নাকি অবনতি

'স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা বেশি কঠিন'! আইসিসি ওয়ান ডে র‍্যাংকিং নিয়ে এই মধুর পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পরে নিজেদের র‍্যাংকিং নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। দুশ্চিন্তার পাশাপাশি র‍্যাংকিং এর উন্নতির পথটাও খোলা আছে বাংলাদেশের সামনে। লংকানদের মাটিতে তাদেরকেই টেস্ট ক্রিকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়

নিজ দেশের প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে! আর সেই স্তুতি বাক্য যদি আসে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এবং সাবেক কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের কাছ থেকে তাহলে সোনায় সোহাগা! বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়মিতভাবেই আসছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে। তবে এই আসাটা নেতিবাচক কারণে হয়। সংবাদ শিরোনামে জায়গা পাচ্ছে ইতিবাচক কারণে। নিজেদের ঘরের মাঠে ক্রিকেটের অন্যতম

আমার আর ক্রিকেটের বেড়ে উঠা

তখনো কৈশোর পার হয়েছিলো কি? তবে হ্যা, ৯৯ এর বিশ্বকাপ মনে আছে। সাবের হোসেনের বাংলাদেশ যখন টেষ্ট স্ট্যাটাস পায় তখন সবে কুমিল্লা জিলা স্কুলে ভর্তি হয়েছি। কিছুদিন পরেই বড় হয়ে যাবো এই উচ্ছাস চোখে মুখে নিয়ে দিবারাত্রি কেটে যায়। ক্রিকেটটা আমরাও তখন বুঝা শুরু করেছি, বিশেষ করে সাদা পোশাকের ক্রিকেট।

হাতুড়াসিংহে, হোসে মৌরিনহো অব ক্রিকেট।

বছর আটেক আগের ঘটনা,অস্ট্রেলিয়ান ডমেস্টিক টিম নিউ সাউথ ওয়েলসের এক অখ্যাত শ্রীলঙ্কান কোচ হটাৎ করেই বলে বসলেন,তার টিমে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ব্যাটসম্যান খেলে যার নাম স্টিভেন স্মিথ। স্টিভেন স্মিথ, যিনি কিনা তৎকালীন অজি লেগ স্পিনার, খানিকটা ব্যাটিংও করে থাকেন, নিজেই হয়তো অবাক হয়েছিলেন এমন ঘোষণায়। এক অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিক তো বলে বসলেন, শুদ্ধ

শততম টেস্টে রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশের।

হেরাথের বলটা সুইপ করে একটু দাড়িয়ে ছিলো মিরাজ বলটা ফিল্ডারের কাছে গেলো কিন্তু মিসফিল্ডিং! সাথে সাথে দৌড় শুরু করল দুইজনই, মুশফিক ও মিরাজ। এক রান নিয়েই যেনো চিৎকার শুরু করলো ২ জন। ২ রান নিয়ে উৎসবে মেতে উঠলো তারা। কারণ নিজেদের শততম টেস্ট জিততে যে মাত্র দুই রান দরকার ছিলো। চতুর্থ